Sanjay Datta's user profile page. Match highlights, posts and more on site!“” Report User |
লা পাসের উচ্চতায় জিতে আর্জেন্টিনার রেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল কার্ডের খাঁড়ায় নেইমারের সঙ্গে ছিলেন না ভিনিসিউস জুনিয়রও। তাতে অবশ্য আক্রমণভাগের ধার একটুও কমেনি ব্রাজিলের। লা পাসের উচ্চতার চ্যালেঞ্জ দারুণভাবে সামাল দিয়ে বাছাইপর্বে ধরে রাখল অজেয় যাত্রা। বলিভিয়াকে হারিয়ে ভাঙল আর্জেন্টিনার সর্বোচ্চ পয়েন্টের রেকর্ড। একই সঙ্গে নিশ্চিত করল শীর্ষে থাকা। বলিভিয়ায় বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে ৪-০ গোলে জিতেছে ব্রাজিল। জোড়া গোল করেন রিশার্লিসন, একটি করে লুকাস পাকেতা ও ব্রুনো গিমারেস। এই জয়ে ১৭ ম্যাচে ব্রাজিলের পয়েন্ট হলো ৪৫। ২০০২ বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনার ৪৩ পয়েন্ট ছিল আগের রেকর্ড। লা পাসের উচ্চতায় ব্রাজিলের খেলার গতি ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে একটু মন্থর। সাত পরিবর্তন নিয়ে খেলতে নামা দলটি শুরুতে একটু সময় নেয় সব বুঝে নিতে। এই সুযোগে চতুর্দশ মিনিটে আচমকা দূরপাল্লার শটে আলিসনের পরীক্ষা নেন রবের্তো ফের্নান্দেস। ব্রাজিলও সে সময় দূরপাল্লার শটেই চেষ্টা করছিল। তবে এন্টনি, ফিলিপে কৌতিনিয়ো কিংবা পাকেতা শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যে। ম্যাচের প্রথম ভালো সুযোগ তৈরি করে বলিভিয়া। ২১তম মিনিটে হেনরি ভাসার শট কোনোমতে পা দিয়ে ঠেকান ব্রাজিল গোলরক্ষক আলিসন। ২৪তম মিনিটে পাকেতার গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। গোলে দারুণ অবদান গিমারেসের। মাঝমাঠে বল পেয়ে সঙ্গে লেগে থাকা হোসে কারাসকোকে এড়িয়ে রক্ষণচেরা পাসে খুঁজে নেন পাকেতাকে। চমৎকার ফিনিশিংয়ে বাকিটা সারেন তিনি। ৪৪তম মিনিটে ফ্রি কিক ঠেকাতে গিয়ে আলিসনের গ্লাভস থেকে ছুটে গিয়েছিল বল। ভাগ্য ভালো, কাছেই থাকা এদের মিলিতাওয়ের পায়ে লেগে বল তার কাছেই ফিরে আসে। পরের মিনিটে ব্যবধান বাড়ান রিশার্লিসন। ফাবিনিয়োর কাছ থেকে ডান প্রান্তে বল পেয়ে এন্টনি স্কয়ার পাস দেন রিশার্লিসনকে। টোকায় বাকি কাজ সারেন অরক্ষিত এই ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্রাজিলকে চেপে ধরে বলিভিয়া। ৪৭তম মিনিটে তারা গোল প্রায় পেয়েই যাচ্ছিল। তবে মার্সেলো মোরেনোর হেড দারুণ দক্ষতায় ব্যর্থ করে দেন আলিসন। ছয় মিনিট পর তাকে পড়তে হয় আরও বড় পরীক্ষায়। রামিরো ভাসার বুলেট গতির শট মার্কিনিয়োসের গায়ে লেগে একটু দিক পাল্টে ঢুকতে যাচ্ছিল জালে। দ্রুত নিজেকে সামলে নেন আলিসন, ঝাঁপিয়ে বল নেন নিয়ন্ত্রণে। বলিভিয়ার আক্রমণের ঝাপটা সামাল দিয়ে ধীরে ধীরে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেয় ব্রাজিল। ৬৮তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ায় তারা। পাকেতার কাছ থেকে বল পেয়ে দারুণ ভলিতে দেশের হয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন গিমারেস। ৭৫তম মিনিটে দুই দলই হাতছাড়া করে দারুণ সুযোগ। ব্রাজিলের গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি ডি-বক্সের ভেতর থেকে একটুর জন্য শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। অন্য প্রান্তে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকেও অবিশ্বাস্যভাবে বাইরে মারেন রামিরো ভাসা। বলিভিয়া গোলের কিছু সুযোগ হাতছাড়া করার পর যোগ করা সময়ে ব্যবধান আরও বাড়ান রিশার্লিসন। আর্থারের শর্ট স্বাগতিকদের এক জনের গায়ে লেগে এলে দূরের পোস্টে পেয়ে যায় অরক্ষিত এই ফরোয়ার্ড। আলতো টোকায় বাকিটা সারেন তিনি।